film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জার্নি বাই ট্রেন চারাগল্প

-

ঈদের ছুটি। গ্রামে যাচ্ছি। বাবা-মায়ের সাথে ঈদ করতে। দীর্ঘ পথ। ট্রেনে বসে সময় কাটানোর জন্য সাথে কয়েকটা গল্পের বই আর কিছু পত্রিকা নিলাম। অযথা সময় লস না করে বসে বসে বই পড়ব। সময়টা কাজে লাগবে।
ট্রেন চলছে। ঝকঝকাঝক ঝক। জানালার পাশে বসে আমি বই পড়ছি।
ভাইয়া, আপনি মোনোয়ার হোসেন না?
উচ্ছ্বাসভরা সুমিষ্টি মেয়েলি কণ্ঠ। চোখ তুলে তাকালাম। দেখি সামনের সিটে বসে আছে এক সুন্দরী বালিকা। আয়ত চোখ। বাঁশির মতো টনটনে নাক। ঠোঁটের কোণায় ঝুলছে মেকি হাসি। হাসি তো নয়, যেন ট্রেনময় ছড়িয়ে পড়ছে রুপালি মুক্তার দানা।
বালিকাটিকে চিনতে পারলাম না। কোথাও দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। এই মেয়ে আমার নাম জানল কী করে? অবাক হয়ে বললাম, জি। কিন্তু আপনি ...।
বালিকা আবার হাসল। মুক্তা ঝরানো হাসি। আপনার নাম জানলাম কী করে, তাই তো?
জি।
আমি আপনাকে চিনি।
চেনেন?
হুমমম।
কিভাবে?
আপনি পত্রিকায় গল্প লিখেন না?
লিখি।
আপনার গল্প পড়ি আমি।
আপনি আমার গল্প পড়েন?
শুধু পড়ি না। আমি আপনার গল্পের বড় ফান।
ফান?
হুমমম, ফান। জানেন, আমি আপনার গল্প পত্রিকায় পড়ার জন্য মুখিয়ে থাকি। সকাল হলেই সব পত্রিকায় সার্চ দিই। আপনার গল্প খুঁজি। পড়ি।
গল্পের ফাঁকে কখন যে শ্রাবণের আকাশে জমেছে কালো মেঘ, আমরা টেরই পাইনি। শুরু হলো ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টি পড়ছে ঝমঝমিয়ে। ট্রেন চলছে সবুজ মাঠের বুক ছিড়ে। বৃষ্টির পানিতে নাচছে মাঠের সবুজ ধানের ক্ষেত। মগ্ন দৃষ্টিতে সে দিকে তাকিয়ে আছে বালিকা। বৃষ্টির ছাঁটা এসে পড়ছে তার মুখে।
আপনি ভিজে যাচ্ছেন তো। জানালাটা বন্ধ করে দিই?
বালিকা বলল, নাহ।
না কেন?
বৃষ্টিভেজা সবুজ মাঠ দেখিনি কত দিন। আজ সবুজ মাঠ দেখব। প্রিয় লেখকের সাথে কিছু স্মৃতি কুড়িয়ে বাড়ি নিয়ে যাবো।
বৃষ্টির ফোঁটা বড় হচ্ছে। আরো ঝমঝমিয়ে পড়ছে।
আমি হাত বাড়িয়ে দিলাম জানালার বাইরে। খেলা করছি বৃষ্টির সাথে।
হাত বাড়িয়ে দিলো বালিকাও। বৃষ্টির সাথে খেলা করতে লাগল সেও। মাঝে মধ্যে দু’জনের হাত ছুঁয়ে যায়। খলখলিয়ে হেসে ওঠে বালিকা। দুলে দুলে ওঠে তার শরীর। টোল পড়ে গালে। মুক্তা ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনে।
এভাবে কখন যে আমরা গন্তব্য এসে পৌঁছে গেলাম, টেরই পাইনি।
মেয়েটি ট্রেন থেকে নেমেই সটান বাড়িয়ে দিলো ডান হাত। দেন।
আমি থতমত খেলাম। কী?
আপনার অটোগ্রাফ।
অটোগ্রাফ?
হুমমম।
হাতে?
কেন হাতে দিতে কোনো সমস্যা?
না না, সমস্যা হবে কেন?
তাহলে দেন।
বুকপকেট থেকে কলম বের করে পটাপট বালিকার হাতের তালুতে অটোগ্রাফ দিলাম।
বাই। এক চিলতে মিষ্টি হাসি উপহার দিয়ে হাত নেড়ে বালিকা চলে গেল।
আমি প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে তার চলে যাওয়া পথের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
স্মিত হেসে ভাবলাম। আহা! কী আনন্দ! জার্নি দ্য ট্রেন!
সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর

 


আরো সংবাদ

চীনে এবার কারাগারে করোনাভাইরাসের হানা তালেবানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি ২৯ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে শনিবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ সিনেটর গ্রাসলির মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস ঢামেক কর্মচারীদের বিক্ষোভ সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ বন্ধের দাবি খালেদা জিয়ার সাথে স্বজনদের সাক্ষাৎ গাজীপুরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস কর্মী খুন বনশ্রীতে ভাড়াটিয়ার বাসায় চুরি কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জাতীয় হ্যান্ডবল দলের খেলোয়ার নিহত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোকে বাধ্য করতে হবে সবুজ আন্দোলন অমর একুশে উপলক্ষে জাতিসঙ্ঘের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন

সকল