১৭ জুলাই ২০১৯

রাজধানীতে চলছে জাতীয় ফল প্রদর্শনী

-

রাজধানীর ফার্মগেটে গত রোববার থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় ফল প্রদর্শনী। ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ২০১৯ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনীর এবারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় পরিকল্পিত ফল চাষ জোগাবে পুষ্টিসম্মত খাবার। বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ফল উৎপাদনে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি। অনেক ফল আছে, যেগুলো সারা বছর ধরে চাষ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বিদেশী ফলও চাষ হচ্ছে। দেশী ফলের পুষ্টিমান যেমন রয়েছে, তেমনি সবার কাছে সমাদৃত। এ ফলমেলা সবার সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
বাংলাদেশের প্রায় সব ফলই স্থান পেয়েছে এই মেলায়।
নতুন জাতের আম কাটি মন, বারি আম-১১ ও ব্রুনাই কিং। বারো মাসেই ফল দেয় এই তিন জাতের আম। আর ব্রুনাই কিং জাতের একটি আমের ওজন হয় তিন থেকে পাঁচ কেজি। বাণিজ্যিকভাবে এ আম চাষে সফল চাষিরা। ফলমেলায় গিয়ে দেখা যায়, বৃন্দাবনী, সুবর্ণরেখা, গৌরমতী, সূর্যপুরী, বালিশ আমসহ ৭৫ জাতের আমের পসরা সাজানো হয়েছে। ফলের ধরন আর গুণে মুগ্ধ হয়ে আম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন চাষিরাও। নাটোর থেকে আসা এমনই এক আমচাষি শওকত হোসেন। তিনি বলেন, আগামীতে কাটি মন ও বারি আম-১১ চাষ করব। কারণ, কাটি মন ও বারি আম-১১ বারো মাস ফল দেয়। ফলে বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়া যাবে।
জাতীয় ফলমেলায় সাতটি সরকারি ও ৫৭টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মোট ৮৪টি স্টল রয়েছে। নতুন প্রজাতির ফলের পাশাপাশি মেলায় সাজানো হয়েছে বিলুপ্ত অনেক ফলের পসরা। বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ‘ময়না’ নামে একটি ফল দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দর্শনার্থীদের। এ ছাড়া বিলুপ্তপ্রায় বাউফল, খুদে জাম, টিপাফল, সফেদা, ডেউয়া, দেশী গাব, বন কাঁঠালসহ নানা ধরনের দেশী ফলের দেখা মিলেছে এ প্রদর্শনীতে। পরিকল্পিত চাষাবাদে এসব ফল আবার পাওয়া যাচ্ছে দেশের গ্রামগঞ্জ ও শহরের বাজারে। প্রদর্শনীতে দেশী ফলের বাইরে বিদেশী ফল ড্রাগন, রাম্বুটান, স্ট্রবেরি, মাল্টা, লঙ্গন, অ্যাভোকাডো, মিষ্টি তেঁতুলও দেখা গেছে।
জাতীয় ফল প্রদর্শনী আজ শেষ হবে এবং ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

 


আরো সংবাদ

gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi