esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছেলের জন্মদিনে যা জানালেন নিহত আবরারের মা

আবরার ফাহাদ - ফাইল ছবি

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদের জন্মদিন আজ। বেঁচে থাকলে আজ তার ২২ বছর পূর্ণ হতো।

আবরার বেঁচে থাকতেও ঘটা করে জন্মদিন পালনের রেওয়াজ ছিল না তার পরিবারে। ছেলে ঢাকায় পড়ালেখা করার কারণে এ দিনটিতে বাবা বরকত উল্লাহ ও মা রোকেয়া খাতুন আবরারকে ফোন করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতেন। বলতেন বাইরে গিয়ে বন্ধুদের সাথে ভালো খাবার খেয়ে নেয়ার জন্য। ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজসহ স্বজনরাও তাকে শুভেচ্ছা জানাতেন।

কাছে না থাকলেও সন্তানের জন্মদিন প্রত্যেক বাবা-মায়ের কাছেই এক অন্য রকম অনুভূতির বলে জানান আবরারের মা স্কুলশিক্ষিকা রোকেয়া খাতুন।

সকাল থেকেই আজ আবরারের বাবা-মা, ভাইসহ স্বজনদের মনটা বিষণ্ন। পারিবারিকভাবে আজ তেমন কোনো কর্মসূচি না থাকলেও আজ বাদ আসর কুষ্টিয়া শহরের বাড়ির পাশের আল হেরা জামে মসজিদে নিহত আবরার ফাহাদের জন্য দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান আবরারের মা রোকেয়া খাতুন।

বড় ছেলে আবরার ফাহাদ যখন বুয়েটে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, তখন নিম্ন মধ্যবিত্ত এই পরিবারটিতে নতুন আশার সঞ্চার জেগেছিল। কিন্তু গত বছরের ৬ অক্টোবর রাতে সব আশা-আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে গেছে। ওই রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী। সারা দেশের মানুষকে নাড়া দিয়েছিল এ ঘটনা।

রোকেয়া খাতুন বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি আমার আব্বুর (আবরার ফাহাদের) জন্মদিন। ১৯৯৮ সালে যেদিন ওর জন্ম হলো, সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার। বাংলা সনে মাঘ মাস। এক সপ্তাহ ধরে শীতের কুয়াশায় মোড়ানো ছিল চারপাশ। আর আবরার যেদিন জন্ম নেয়, সেদিন সূর্যটা শহরে আলো ছড়িয়েছিল।’

নিজের জন্মের সাড়ে তিন মাসের মধ্যেই বাবাকে হারিয়েছিলেন রোকেয়া খাতুন। তাই ছেলের জন্মের পর থেকে আবরারকেই আব্বু বলে ডাকতেন। আবরার ফাহাদ নামটা স্বামী বরকত উল্লাহর দেয়া। জন্মের পর মাত্র একবার ঘটা করে বাড়িতে আবরারের জন্মদিন পালন করা হয়েছিল। পাঁচ বছর বয়সে যে বছর আবরারকে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল, সেই বছর। এখনো মা যত্ন করে রেখেছেন পুরনো ছবির অ্যালবাম।

জন্মদিনের সকালে ছেলেকে ফোন করে ভালো কিছু খেয়ে নিতে বলতেন রোকেয়া খাতুন। এবার কাউকে কিছু বলার নেই। পাশেই বসে ছিলেন ছোট ছেলে আবরার ফাইয়াজ।

শেষ চার বছর ঢাকাতে থাকতেন আবরার। পড়াশোনার জন্য জন্মদিনগুলোও ঢাকাতেই কাটাতে হতো। সেসব দিনে সকালে ঘুম থেকে উঠেই রোকেয়া খাতুন ছেলেকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানাতেন। ভালোমন্দ খেতে বলতেন। আর এবারে ছেলের জন্মদিনে কী করবেন, ভেবে পাচ্ছেন না, কেবল কষ্টই বাড়ছে।

তিনি বলেন, এই দুটো দিন (আবরারের জন্ম ও মৃত্যুর দিন) তার জন্য এখন কেবলই কান্নার। এছাড়া কিছুই করার নেই। কাউকে বলার নেই, ‘আব্বু বাইরে গিয়ে ভালো কিছু কিনে খেয়ে নিয়ো।’

এদিকে, সম্প্রতি ফোন করে এক ব্যক্তি ফাহাদ হত্যা মামলার আসামিপক্ষের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন অভিযোগ করে রোকেয়া খাতুন বলেন, ‘ছেলের হত্যাকারীদের সাথে আপস করার প্রশ্নই ওঠে না।’

ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বলেন, ভাইয়ের জন্মদিনে ঘটা করে অনুষ্ঠান হতো না, কিন্তু সেটা পরিবারের জন্য একটা আনন্দের দিন ছিল। এখন দিনটি কেবলই কষ্টের।

বাড়ির বাইরে থাকায় মুঠোফোনে কথা হয় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহর সাথে। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবরার এবং তাদেরকে নিয়ে কিছু লোক নানা গুজব ছড়াচ্ছেন। এসব উপেক্ষা করে তারা ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষা করছেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের একদল উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী। আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) মেধাবী ছাত্র ছিলেন।

সূত্র : ইউএনবি


আরো সংবাদ

জোড়া সেঞ্চুরিতে সিরিজ শ্রীলঙ্কার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর কোটা পূরণে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা ৩৪দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস : আইইডিসিআর লতিফ সিদ্দিকীর দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টে স্থগিত শিশুসন্তান আরশ মায়ের হেফাজতে থাকবে : হাইকোর্ট প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সহায়তার প্রস্তাবকে চীনের প্রেসিডেন্টের সাধুবাদ পি কে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটনের বই চুম্বকের মতো কাজ করবে : নুহ আলম লেলিন শাহবাগে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের নির্বাচন নিয়ে হামলায় আহত ৭ ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে ১২ ব্যক্তি প্রতারণার শিকার ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

সকল




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat