২৫ মে ২০১৯

কার হেফাজতে দেয়া হবে নবজাতকটিকে?

কার হেফাজতে দেয়া হবে নবজাতকটিকে? - ছবি : সংগ্রহ

ঢাকার শিশু হাসপাতালের টয়লেট থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতককে আজকের মধ্যে হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার ওই কন্যা শিশুটিকে হাসপাতালের একটি টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে।

শিশুটির স্বাস্থ্যের অবস্থা আগের চাইতে ভালো বলে জানা গেছে।

তবে শিশুটিকে এখন কার হেফাজতে রাখা হবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শিশু হাসপাতালের গণ সংযোগ কর্মকর্তা এম এ হাকিম জানান, শিশুটিকে হাসপাতালের সমাজসেবা প্রধানের কাছে পুলিশের উপস্থিতিতে আজই হস্তান্তর করা হবে।

এরপর তাকে সমাজসেবা অধিদফতরের আওতাধীন ঢাকার আজিমপুরের ছোটমনি নিবাসে পাঠিয়ে দেয়া হবে। সেখানেই চলবে তার পরবর্তী পরিচর্যা।

এদিকে শিশুটিকে দেখতে আজও হাসপাতালের ৩০১ নম্বর কেবিনে ভিড় করছেন অনেকেই।

এমন অবস্থায় শিশুটির নিরাপত্তায় তাকে হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত কেবিনের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শিশুটিকে উদ্ধারের পর মঙ্গলবার রাতেই ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ফেসবুক পেজে ছবিসহ একটি পোস্ট দেন। যেন কেউ তার অভিভাবকের খোঁজ পেলে পুলিশকে জানায়।

এরপর থেকেই হাসপাতালে ও পুলিশের কাছে ওই শিশুর দত্তক নেয়ার ব্যাপারে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য ফোন আসতে শুরু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির অভিভাবকদের না পাওয়া গেলে কেউ যদি শিশুটিকে দত্তক নিতে চায় তাহলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দত্তক নিতে পারেন। তবে সেই এখতিয়ার আদালতের।

তবে পুলিশ সর্বাত্মকভাবে তার প্রকৃত অভিভাবককে খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

এছাড়া শিশুটিকে টয়লেটে ফেলে যাওয়ার পেছনে কে বা কারা জড়িত সেটা খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেছে তারা।

হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তদন্তে বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান, শেরে বাংলা নগর থানার ওসি জানে আলম মুন্সী।

কেউ ইচ্ছা করেই শিশুটিকে শিশু হাসপাতালের রেখে গেলো, নাকি কোন অসাধু-চক্র শিশুটিকে অন্য কোনো জায়গা থেকে চুরি করে এখানে রেখে গেছে সে বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ওসি জানে আলম বলেন, আমরা তার বাবা-মাকে খুঁজে বের করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পরে শিশু আইনে আদালত যা সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


দত্তক নেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের আইন কী বলে :
বাংলাদেশে কোনো শিশুকে দত্তক নিতে গেলে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আবেদন জানাতে হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট তৌহিদা খন্দকার।

তিনি জানান, শিশুটির দায়িত্ব যেহেতু সমাজসেবা অধিদফতর নিয়েছে তাই তাকে দত্তক নিতে গেলে আগ্রহীদের সমাজসেবা অধিদফতরে চিঠি লিখে আবেদন জানাতে হবে।

এরপর অধিদফতরের পক্ষ থেকে খোঁজ-খবর নেয়া হবে যে পরিবারটি শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য যথাযথ কিনা।

এক্ষেত্রে,আগ্রহী পরিবারটির পারিবারিক বন্ধন কেমন, তাদের আয় রোজগার, থাকার পরিবেশ, বাবা মা নিঃসন্তান দাবি করে থাকলে সেটা সত্য কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

সেখানে তারা শিশুটিকে দেখভালের জন্য যদি উপযুক্ত প্রমাণিত হয়, তাহলে আদালতের মাধ্যমে শিশুটির গার্ডিয়ানশিপ সমাজসেবা অধিদফতরের পক্ষ থেকে আগ্রহী পরিবারটিকে বুঝিয়ে দেয়া হবে।

কিন্তু একবার যদি আদালতের পক্ষ থেকে দত্তকের আবেদন গৃহীত হয় তাহলে পরবর্তিতে যদি শিশুটির প্রকৃত বাবা-মাকেও খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তাদেরকেও নিজ সন্তানের কাস্টডি নিতে আদালতে আবেদন জানাতে হবে।
সূত্র : বিবিসি


আরো সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ বিপজ্জনক : ইরান প্রেমিক যুগলের নগ্ন ভিডিও ধারণ : কারাগারে ইউপি সদস্যের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে বাড়ি দোকানপাটে হামলা স্কুল জীবন থেকেই ট্রাফিক আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দরকার : প্রধানমন্ত্রী হালদায় নমুনা ডিম ছেড়েছে রুই জাতীয় মা মাছ যারা ক্রিম খেতে রাজনীতিতে আসেনি ভবিষ্যতে তাদেরই মূল্যায়ন করা হবে বোল্টের দাপটে বিপাকে ভারত ভারত আঙ্গুল দিয়ে দেখাল গণতন্ত্র কী : ড. মোশাররফ আফগানিস্তানে গুঁড়িয়ে গেল মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার ভারত-নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখী পুকুরে ডুবে মেডিকেল কলেজ ছাত্রের মৃত্যু দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বেইজিংয়ের হুঁশিয়ারি

সকল




Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa