১৬ জুলাই ২০১৯

কোকাকোলা পানে জীবন গেলো কামাল উদ্দিনের

কোকাকোলা পানে জীবন গেলো কামাল উদ্দিনের - সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরখানে কোমলপানীয় কোকাকোলা পানে কামাল উদ্দিন (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার রাতে একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য তার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত কামাল উত্তরখানের কুড়িপাড়ায় পরিবারের সাথে থাকতেন।

কামালের মা সাকিরন নেসা’র বরাত দিয়ে উত্তরখান থানার এসআই মনিরুজ্জামান আকন্দ জানান, সোমবার রাতে স্ত্রী সুমী আকতার কামালকে কোমলপানীয় কোকাকোলা খেতে দেন। কামাল তা খান। স্ত্রীও সামান্য খান। পরে কামাল অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আব্দুল্লাহপুর ‘আইচি’ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

পরে মঙ্গলবার সকালে ওই হাসপাতালের আইসিইউ থেকে কামালের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, আইচি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুমন মৃত্যু সনদপত্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ‘আননোন পয়জনিংয়ে (কোকাকোলা) তার মৃত্যু হয়েছে।’ মনিরুজ্জামান বলেন, কামাল উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার খাওয়া কোমলপানীয় কোকাকোলায় কোন সমস্যা ছিলো না কি তাতে কোন বিষক্রিয়া মেশানো হয়েছিলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরো পড়ুন : ২ সাংবাদিকের জেল : কী ছিল রয়টার্সের প্রতিবেদনে?
বিবিসি ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:৫৪

মিয়ানমারে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা অনুসন্ধানের সময় রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা লংঘনের দায়ে তাদের এ শাস্তি দেয়ার কথা জানিয়েছে আদালত।

সাজা পাওয়া দুই সাংবাদিক হলেন- ওয়া লোন এবং কিয়াও সো উ। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছিল যখন তাদের হাতে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট ছিলো এবং সেগুলো গ্রেফতারের আগ মুহূর্তেই পুলিশ তাদের হাতে দিয়েছিল। দুই সাংবাদিকই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, পুরো বিষয়টিই পুলিশের সাজানো ছিলো।

মিয়ানমারের এই ঘটনাকে মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য একটি পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রায়ের পর ওয়া লোন বলেন, ‘আমি ভীত নই। আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমি ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি।’ কারাদণ্ড পাওয়া দুই সাংবাদিকই গত বছর ডিসেম্বর থেকে আটক রয়েছেন।

বিচারক ইয়ে লুইন বলেছেন, ‘এই দুজন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ক্ষতি করেছেন।’

বিবিসি সংবাদদাতা নিক বিয়াকে ইয়াঙ্গুন থেকে জানিয়েছেন, অনেকের কাছে এ রায় মুক্ত গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের জন্য আরেকটি ধাক্কা বলে বিবেচিত হচ্ছে।

কেন আটক হয়েছিলেন দুই সাংবাদিক?
মিয়ানমারের গণহত্যার একটি ঘটনা অনুসন্ধান করেছিলেন রয়টার্সের দুই সাংবাদিক। পরে তাদের আটক করে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লংঘনের অভিযোগ আনা হয়। রয়টার্স দাবি করে, রাখাইনে দশ রোহিঙ্গাকে হত্যার বিষয়টি উদঘাটন করেছেন এই দুই সাংবাদিক।

আর সেজন্যই তাদের আশা ছিলো যে দুই সাংবাদিকের তৎপরতা জনস্বার্থ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

রয়টার্সের প্রধান সম্পাদক স্টিফেন জে এডলার বলেছেন, ‘যখন ওয়া লোন ও কিয়াও সো উ আটক হলো তখন আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিলো তাদের নিরাপত্তা। পরে আইনি পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দুই সাংবাদিক ও তাদের স্বজনদের সাথে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, ইনদিন গ্রামে যা ঘটেছে তা প্রকাশ ছিলো আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অনুসন্ধানী রিপোর্টটি প্রকাশ করেছিলাম। কারণ এটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী আগ্রহ ছিলো।’


বিবিসি স্বাধীনভাবে ওই রিপোর্ট যাচাই করে দেখতে পারেনি। কারণ রাখাইনে সাংবাদিকদের কাজ করার সুযোগ খুবই সীমিত।

কিন্তু রয়টার্সের ওই রিপোর্টটি প্রকাশের আগে থেকেই এভাবে গণহত্যার খবর পাওয়া যাচ্ছিলো।

রাখাইন মূলত নতুন করে আলোচনায় আসে গত বছর আগস্টের আগে থেকেই, যখন সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে লাখ লাখ মানুষ রাখাইন ছাড়তে বাধ্য হয়।

পরে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে আটক করা হয় ১২ই ডিসেম্বর।

কী ছিলো রয়টার্সের প্রতিবেদনে?
উত্তর রাখাইনের ইনদিন গ্রামে সেনাবাহিনী ও কিছু গ্রামবাসী মিলে সারিবদ্ধভাবে একদল রোহিঙ্গাকে বসিয়ে গুলি করে হত্যা করেছিলো।

ঘটনাটি ঘটেছিলো গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর। এ ঘটনাই উঠে এসেছিলো রয়টার্সের প্রতিবেদনে- যার তথ্য-উপাত্ত সব ওই দুই সাংবাদিকই যোগাড় করেছিলেন। তারা গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে কথা বলেন এবং ঘটনার ছবি যোগাড় করেন।

ওই গ্রামের বৌদ্ধদের একটি কবর খননের নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। এরপর ওই ১০ জনকে হত্যা করা হয় যার মধ্যে অন্তত দুজনকে বৌদ্ধ গ্রামবাসীরা ও বাকীদের সেনা সদস্যরা গুলি করে হত্যা করে।

রয়টার্স দাবি করে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের এটিই প্রথম কোনো প্রমাণ। বৌদ্ধ গ্রামবাসীরাও ঘটনা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থাটি।

পরে দুই সাংবাদিককে আটকের পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ঘটনা তদন্ত করে। মিয়ানমার দাবি করে, ওই দশ ব্যক্তি ‘বাঙালি সন্ত্রাসী’। কিন্তু রয়টার্স দাবি করে এর কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। ওই দুই সাংবাদিক পরে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথেও কথা বলে, যারা এখন বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে।


আরো সংবাদ

বেসরকারি টিটিসি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি কলেজ শিক্ষার্থীদের শতাধিক মোবাইল জব্দ : পরে আগুন ধর্ষণসহ নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির কমিটি রাজধানীতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নারীসহ দু’জন নিহত রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত আজমত আলীকে মুক্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত আজমত আলীকে মুক্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত আজমত আলীকে মুক্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের কাল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ এরশাদের মৃত্যুতে ড. ইউনূসের শোক ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না : রাষ্ট্রপতি ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১০ সদস্যের হজ প্রতিনিধিদল সৌদি আরব যাচ্ছেন

সকল




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi