১৯ নভেম্বর ২০১৮

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উএনসিএর বার্ষিকী পালন

উএনসিএর বার্ষিকীতে উপস্থিত জাতিসংঘ মহাসচিবের সাথে কথা বলছেন বাংলাদেশী সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী - সংগৃহীত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ৭০ তম বার্ষিকী উদযাপন করলো ইউনাইটেড নেশনস করসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন (ইউএনসিএ)। মঙ্গলবার বিকালে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের উত্তরপ্লাজার নয়নাভিরাম রোজ গার্ডেন প্রাঙ্গণে বৃহৎ আকারের একটি কেক কেটে সাংবাদিকদের প্রাচীনতম এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্বোধন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুঁতেরেস।

অনুষ্ঠানে ইউএনসিএ’র সদস্যদের সঙ্গে নানা আলাপচারিতায় অংশ নেন অ্যান্তোনিও গুঁতেরেস। ইউএনসিএ’র প্রথম বাংলাদেশি সদস্য মুশফিকুল ফজল আনসারীর এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব জানান বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থান স্বচক্ষে দেখতে তিনি বাংলাদেশে যাচ্ছেন। বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, এবারের সফরটি কেবল রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও করণীয় নির্ধারণের জন্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক এই সফরটির সমন্বয় করছে।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে আগামী ৩০ জুন ৩ দিনের সফরে একসঙ্গে ঢাকা যাবেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুঁতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। ১ জুলাই তাদের কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে জাতিসংঘ মহাসচিব সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘‘সাংবাদিকরা সত্য উদঘাটনে নিবেদিত। এই সত্য সব সময় সকলের জন্য সুখের হয়না। তবুও সত্য উদঘাটনের মহান ব্রত নিয়ে আপনারা কাজ করে চলেছেন।’’

বক্তৃতার এক ফাঁকে হাস্যরস করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ইউএন করেসপন্ডেন্টদের রিপোর্টে আমি কোনো ‘ফেইক নিউজ’ খুঁজে পাইনি।

ইউএনসিএ’র প্রেসিডেন্ট শ্যারউইন ব্রেইস পিস আগত অতিথিদের স্বাগত জানান। মুশফিকুল ফজল ছাড়াও বাংলাদেশী অপর দুই সংবাদিক ইমরান আনসারী ও শিহাব উদ্দিন কিসলুও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ