২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সহিংসতা : নারী ও শিশুসমাজের করণীয় শীর্ষক সেমিনার সাদার্ন ভার্সিটিতে

-

সাদার্ন ইউনিভার্সিটি ও মাসিক দখিনার উদ্যোগে সহিংসতা : নারী ও শিশুসমাজের করণীয় শীর্ষক সেমিনার গত সোমবার ইউনিভার্সিটির মেহেদীবাগ ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাসিক দখিনার সম্পাদক প্রফেসর সরওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ। সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শরীফুজ্জামান, আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর এ জে এম নুরুদ্দীন চৌধুরী, আইন বিভাগের উপদেষ্টা প্রফেসর মহিউদ্দিন খালেদ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. ইসরাত জাহান, দখিনার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মুশফিক হোসাইন, সাংবাদিক আবু তালেব বেলাল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মুহাম্মদ জুলকরনাইন ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ শিক্ষকেরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বর্তমানে একটি সিরিয়াস ইস্যু। সংবাদপত্রে ও টিভিতে আমরা প্রতিনিয়ত এ ধরনের খবর দেখতে পাচ্ছি। তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, যে বা যারা নারী ও শিশু নির্যাতনে জড়িত তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না। সাদা মনের মানুষের নীরব ভূমিকার কারণে এসব হীন কর্মকাণ্ড আরো বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। গ্রামে সালিসের নামে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ হিসেবে ছেড়ে দেয়া হয়। প্রকৃত অর্থে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা সহযোগিতামূলক নয় অথচ এশিয়ার দেশ জাপানে দেখা যায় প্রত্যেক মানুষ একে অপরের প্রতি আন্তরিক ও সহযোগিতাপরায়ন। দখিনার সম্পাদক প্রফেসর সরওয়ার জাহান বলেন, নীতিনৈতিকতার অধঃপতনে আমরা জাতি হিসেবে এখন নিপীড়নের ঊর্ধ্বগগনে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মত ঘৃণিত কাজ করতে আমাদের বিবেক বাধাগ্রস্ত হয় না। যেকোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড করতে আমাদের বুক কাঁপে না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। সচেতনার অংশ হিসেবে মাসিক দখিনার ৭ম বর্ষে পর্দাপণ উপলক্ষে সহিংসতা : নারী ও শিশু বিষয়ে ৫৯ তম বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ হয়েছে, যাতে সমাজের জাগরণ সৃষ্টিতে উদ্দীপনা আসে। আগে নিজের পরিবারকে সঠিক পথে আনতে হবে, তারপর সমাজ। ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধানের পথ খুঁজে বের করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেমিনারে নারী ও শিশু নির্যাতনের ওপর একটি ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেহেনুমা সুলতানা খান। প্রফেসর মহিউদ্দিন খালেদ বলেন, সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতনে দেশে অনেক আইন আছে। তবে প্রমাণের অভাবে ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হন। কুরআনের শিক্ষা ও হজরত মোহাম্মদ সা:-এর আদর্শ অনুসরণ করতে পারলেই এসব পাপাচার এমনিতে কমে যাবে। অন্যান্য বক্তারা বলেন, মূল্যবোধের অভাব, ধর্মীয় অনুশাসন না মানা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, প্রযুক্তির অপব্যবহার, রাজনৈতিক প্রশ্রয়, অশালীনতা এবং টাকার বিনিময়ে অপরাধ ঢাকার সংস্কৃতিÑ এসবের কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে।


আরো সংবাদ

হোয়াইট হাউস থেকে মাত্র দুই মাইল দূরে ছয়জন গুলিবিদ্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবকের কবজি কাটার অভিযোগে চেয়ারম্যানসহ আটক ২ বিএনপির সময় ক্যাসিনোগুলো ছিল, অ্যাকশন নেয়নি : কাদের জমি লিখে না দেয়ায় বৃদ্ধ বাবাকে মারধর করে পানিতে চুবালো ছেলে শিবগঞ্জে প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ দফতরির বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ সহোদর নিহত ফেসবুক ভেঙ্গে দেয়ার প্রস্তাব , ট্রাম্পকে যা বলেছেন জাকারবার্গ স্কুল শিক্ষকের ছয় স্ত্রী, সংখ্যা আরো বাড়াতে শালিকাকে প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ সালমান শাহ্‌র জন্য যা করতে চান শাকিব লুটপাট অনিয়ম অব্যবস্থাপনায় অস্থির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনুমোদন ছাড়াই মুনাফা দেশে নিতে পারবে বিদেশী কোম্পানি

সকল




gebze evden eve nakliyat Paykasa buy Instagram likes Paykwik Hesaplı Krediler Hızlı Krediler paykwik bozdurma tubidy