১৯ এপ্রিল ২০১৯

চাহিদার তুলনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা কম

-


২০০২ সাল পর্যন্ত ঢাকা শহরে প্রায় ৩৭ হাজার টু-স্ট্রোক অটোরিকশা চলত। পরিবেশদূষণ রোধে ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এগুলোর চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। পরে ১৩ হাজার সিএনজিচালিত ফোর স্ট্রোক অটোরিকশার নিবন্ধন দেয়া হয়। যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সরাসরি চালকদের পাঁচ হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ১১ বছরেও সেই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হয়নি।
এর ফলে রাজধানীতে যাত্রী ও চালকদের চাহিদার তুলনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা অনেক কম। এই সুযোগে অটোরিকশার মালিকেরা সরকার-নির্ধারিত জমার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়ায় চালকেরাও মিটারের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। এতে অটোরিকশা খাতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ার পাশাপাশি যাত্রী হয়রানি বেড়েছে।
ঢাকা জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জানিয়েছেন, এ খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির ল্েয ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকা শহরে বসবাস করা বৈধ চালকদের মধ্যে পাঁচ হাজার অটোরিকশা বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সে অনুযায়ী, ২০০৮ সালের জুলাই মাসে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে চালকদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপ (বিআরটিএ)। বিজ্ঞপ্তির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিন হাজার ১৯৬ জন চালক অটোরিকশার জন্য আবেদন করেন। প্রক্রিয়াটি বন্ধের জন্য ২০০৮ সালেই ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির প থেকে আদালতে রিট আবেদন করা হয়। এতে চালকদের মধ্যে অটোরিকশা নিবন্ধন দেয়ার প্রক্রিয়াটি আটকে যায়। ২০১০ সালে রিটটি খারিজ হয়। এরপর আপিল ও রিভিউ আবেদনও মালিক সমিতির বিপে যায়। পরে বাংলাদেশ অটোরিকশা চালক সমবায় ফেডারেশনের প থেকে আরেকটি রিট আবেদন করা হয়েছিল। এই আবেদনে চালকদের পাঁচ হাজার অটোরিকশা ফেডারেশনকে দেয়ার আবেদন জানানো হয়। ২০১২ সালে রিটের রায়ে এই সংগঠনকে অগ্রাধিকার দেয়ার পে নির্দেশ দেয়া হয়।
এমন প্রোপটে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে বিআরটিএ ও অটোরিকশা চালক-মালিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে সভায় বসে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে লিভ টু আপিল আবেদনটি প্রত্যাহার করা সাপেে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে চালকদের অটোরিকশা বরাদ্দের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। ২০১৩ সালের এপ্রিলে ওই লিভ টু আপিলটি প্রত্যাহার করতে বিআরটিএর প থেকে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছিল। ওই বছরের জুন মাসে লিভ টু আপিলটি প্রত্যাহার করে নেয় শ্রমিক ইউনিয়ন।
কিন্তু ২০১৪ সালে ফেডারেশনের পে আসা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। আপিলের রায়ে ফেডারেশনের পে দেয়া হাইকোর্ট বিভাগের রায়টি খারিজ করা হয়। ২০১৬ সালের এপ্রিলে এর বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে ফেডারেশন। ২০১৭ সালের এপ্রিলে রিভিউ আবেদনটিও খারিজ হয়ে যায়।
অটোরিকশার চালকেরা জানিয়েছেন, এর পরও চালকেরা অটোরিকশা বরাদ্দ না পাওয়ায় ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। পরে ওই দিন বিআরটিএর সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আইনি কোনো জটিলতা না থাকলে চালকদের অটোরিকশা বরাদ্দ দেয়া হবে। গত মার্চ মাসে বিআরটিএ নিশ্চিত হয় চালকদের অটোরিকশা বরাদ্দ দিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। এরপরও চালকেরা অটোরিকশা বরাদ্দ পাননি। তাই গত জুলাই মাসে ঢাকা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের প থেকে আবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালকদের জন্য অটোরিকশা বরাদ্দের জন্য বিআরটিএতে আবেদন জানানো হয়।
যাত্রীর তুলনায় ঢাকা শহরে অন্তত আরো ২০ হাজার অটোরিকশা থাকা উচিত। চালকদের অটোরিকশা বরাদ্দ দেয়া হলে তারা আর অতিরিক্ত জমা নেয়ার অভিযোগ করতে পারবেন না। অটোরিকশা বেশি হলে এই খাতে প্রতিযোগিতা বাড়বে।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al