২৬ এপ্রিল ২০১৯

সড়কে নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই

-

সম্প্রতি বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থী বাসচাপায় নিহত হওয়ার ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনা এখন আলোচিত বিষয়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করছে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যেই গত শুক্রবার মগবাজার মোড়ে বাসের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বাস ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা ৭০ শতাংশ। আর ট্রাফিক আইন না মেনে রাস্তা পারাপার হওয়ার সময় হতাহতের হার ৩০ শতাংশ। বাসের বেপরোয়া প্রতিযোগিতা, মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত গতি ও হেলমেট ব্যবহার না করা এসব দুর্ঘটনার কারণ।
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। চলতি বছর শুধু জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে নিহতের সংখ্যা ২৪। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৩ এবং ২০১৬ সালে ১২।
চলতি বছর রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৭৪টি। এতে নিহত হয়েছেন ১৬৭ জন ও আহত হয়েছেন ৩৭৩ জন। গত তিন বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজধানীতে নিহতের সংখ্যা ৫৮৮। আর চলতি বছর সারা দেশে দুর্ঘটনায় মারা গেছে দুই হাজার ৩৪২ জন।
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের এ পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এআরআই) এক সমীক্ষায়। রাজধানীতে হওয়া এসব দুর্ঘটনায় বছরে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা। সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ২৬৭। এতে মারা যায় ২৮০ জন ও আহত হয় ৩৫৯ জন। এ ছাড়া ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানীতে ১২৬টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪১ জন। আহতের সংখ্যা ৩৩৭।
অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীর দুর্ঘটনাগুলোর বেশির ভাগই ঘটে সকালে। কারণ, এ সময় রাস্তা ফাঁকা থাকে। বাসগুলোও দ্রুতগতিতে চলে এবং যাত্রী তোলার জন্য প্রতিযোগিতা করে। আবার দিনের অন্যান্য সময়ে ঘটা দুর্ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়, ট্রাফিক সিগন্যাল ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথেই বাস ও মোটরসাইকেল দ্রুতগতিতে চলতে শুরু করে। এ সময় পথচারীরা দৌড়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এ বছর রাজধানীতে সাত মাসেই যে হারে মানুষ মারা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নিহতের সংখ্যা অন্য যেকোনো বছরের হিসাবকে ছাড়িয়ে যাবে।
পুলিশের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এআরআই বলছে, দেশের অন্য সব মহানগরের চেয়ে শুধু ঢাকা মহানগরে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। কারণ, ঢাকায় মানুষ ও যানবাহন দুই-ই বেশি। রাজধানীতে পথচারীদের জন্য ৫৪টি স্থান সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো যাত্রাবাড়ী, ফার্মগেট, সায়েদাবাদ, শনির আখড়া ক্রসিং, তোপখানা, পুরানা পল্টন মোড় ও সোনারগাঁ-পান্থপথ ক্রসিং। পরিবহন বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীর গণপরিবহনকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনলেই সড়ক দুর্ঘটনার পরিমাণ কমতে পারে।


আরো সংবাদ

বিজিএমইএর ব্যাখ্যাই টিআইবি প্রতিবেদনের যথার্থতা প্রমাণ করে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার প্রস্তাব সংসদে নাকচ ঢাকায় সবজি আনতে কিছু পয়েন্টে চাঁদাবাজি হয় : সংসদে কৃষিমন্ত্রী বসার জায়গা না পেয়ে ফিরে গেলেন আ’লীগের দুই নেতা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ডিফেন্স কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা আজ জুমার খুতবায় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বয়ান করতে খতিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান কাল এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচনে বাধা নেই জিপিএ ৫ পাওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী সুপ্রভাত বাসের চালক মালিকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পান্না গ্রুপ এশীয় দেশের ঘুড়ি প্রদর্শনী শুরু পল্লবীতে বাসচাপায় পথচারীর মৃত্যুর ৬ মাস পর চালক গ্রেফতার

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat