ঢাকা, শুক্রবার,২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

প্রথম পাতা

জাপানি ভাষায় অনূদিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী

বাসস

০৩ আগস্ট ২০১৫,সোমবার, ০০:০০


প্রিন্ট
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী জাপানি ভাষার অনুবাদক কাজোহিরো ওযাতানাবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন ও বই তুলে দেন হবাসস

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী জাপানি ভাষার অনুবাদক কাজোহিরো ওযাতানাবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন ও বই তুলে দেন হবাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গতকাল জাপানি ভাষায় অনূদিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটি উপহার দেয়া হয়েছে।
গ্রন্থটির জাপানি অনুবাদক জাপান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এনএইচকে) বাংলা বিভাগের কাজুহিরো ওয়াতানাবে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ গ্রন্থটির একটি কপি উপহার দেন।
সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, জাপানের অভিজাত প্রকাশনা সংস্থা আশাহি সোতেন জাপানি ভাষায় অনূদিত এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বইটি গ্রহণ করে মূল বাংলা থেকে ৬০০ পৃষ্ঠার এই বই জাপানি ভাষায় অনুবাদের জন্য ওয়াতানাবেকে ধন্যবাদ জানান এবং এই মহতি কর্মসম্পাদনের জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানি ভাষায় প্রকাশিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ সে দেশের জনগণকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর ধ্যান-ধারনা ও সংগ্রাম সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেবে।
এ ছাড়াও শেখ হাসিনা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে গ্রন্থটি প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘আশাহি সোতেন’-এর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি ঘোষণার পর কারাগারে বঙ্গবন্ধুর লেখা দু’টি নোটবুক সম্প্রতি পাওয়া গেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, তিনি তার নিজের রচিত কিছু বইও ওয়াতানাবেকে উপহার দেবেন।
পরে ওয়াতানাবে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার জন্যও গ্রন্থটির আরেকটি কপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্মার্ট কার্ড পরিচয়পত্রের সুফল সম্পর্কে প্রচারণার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট ন্যাশনাল আইডেনটিটি কার্ডের (একটি জাতীয় পরিচয়পত্র) সুফল সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই এই কার্ড চালু করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট কার্ডের সুবিধার কথা জানতে পারলে মানুষ এটি নিতে আগ্রহী হবে।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকালে তার কার্যালয়ে স্মার্ট কার্ডের উপস্থাপনাকালে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এ কথা বলেন।
স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকল্পের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো: সালেহউদ্দিন পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ডের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।
স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রকে একটি সুন্দর উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, স্মার্ট পরিচয়পত্র চালুর জন্য ৯ কোটি মানুষের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। তিনি এর কারিগরি বিন্যাস ও ২৫ ধরনের নিরাপত্তার বিষয় উল্লেখ করেন।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে রুপায়ী তিন স্তরের নিরাপত্তা বিশিষ্ট এ পরিচয়পত্রের নকশা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন।
জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন-২০১০-এর আলোকে তৈরি এই স্মার্ট কার্ডের মেয়াদ হবে ১০ বছর। উপজেলা ও থানা পর্যায় পর্যন্ত এই প্রকল্পের কর্মকাণ্ড সম্প্রসারিত হয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, এলজিআরডি ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল অব: তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও নির্বাচন কমিশন সচিব সিরাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫